
দেশের উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৫ ডিগ্রির ঘরে। ভোর ও সকালের দিকে আবহাওয়ায় হালকা শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় এ তথ্য জানিয়েছেন। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত তেঁতুলিয়ায় প্রতিবছরই শীতের আগমনী অনুভূতি তুলনামূলক আগে দেখা যায়। এবারও তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির ঘরে নেমে আসায় ভোর ও সকালের আবহাওয়ায় শীতের আমেজ স্পষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে ভোরে বাইরে বের হওয়া মানুষজনকে হালকা ঠান্ডা অনুভব করতে হচ্ছে। খোলা মাঠ, নদীর তীর ও গ্রামীণ এলাকায় সকালের ঠান্ডা তুলনামূলক বেশি অনুভূত হচ্ছে। তবে সকাল ও রাতের দিকে ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় আবহাওয়া থাকছে ভিন্ন। সূর্যের তাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম অনুভূত হচ্ছে। ফলে একই দিনে ভোরে হালকা শীত আর দুপুরে গরম আবহাওয়ার অভিজ্ঞতা হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। আবহাওয়ার এমন পরিবর্তনে শীতের প্রস্তুতি নিয়ে ভাবতে শুরু করেছেন অনেকে। বিশেষ করে ভোরে কাজে বের হওয়া শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক ও দূরপাল্লার যাত্রীদের সকালের ঠান্ডার মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে। তাপমাত্রা আরও কমলে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। তেঁতুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসা শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে। তবে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেশি থাকায় আপাতত সকাল ও রাতের দিকেই ঠান্ডার অনুভূতি বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক জমিতে প্রয়োগ করার সময় বিষক্রিয়ায় হাতে পচন ধরেছে আশরাফ আলী (৪৫) নামের একজন কৃষকের। চিকিৎসক তার আঙুল কেটে ফেলার প্রয়োজন হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন বলে জানিয়েছেন আশরাফের স্ত্রী জনিফা।আশরাফ উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের বেতুয়ান গ্রামের বাসিন্দা। নিরক্ষর ও দরিদ্র আশরাফ ১২ দিন আগে পৌর শহরের শরৎনগর বাজারের আব্দুল জব্বারের কীটনাশকের দোকান থেকে ৩৩ মাস আগে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া কীটনাশক কিনেছিলেন। এ ঘটনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফ আলীকে থানায় নিয়মিত মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে এলাকার কিছু বখাটে যুবকের ভয়ে থানায় মামলা দিতে পারেননি বলে আশরাফের স্ত্রী জানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কৃষক আশরাফ এ বছর বেতুয়ান গ্রামে জমিতে স্বর্ণা ধানের আবাদ করেছেন। জমিতে মাঝরা পোকা দমনের জন্য গত ১৫ অক্টোবর শরৎনগর বাজারে অবস্থিত আব্দুল জব্বারের কীটনাশকের দোকান থেকে কার্টাপ্রিড নামের একটি দানাদার কীটনাশক ক্রয় করেন। পরের দিন জমিতে ব্যবহার করার জন্য কীটনাশক খোলা হাতে পানিতে মিশ্রণ করার সময় হাতে আঠালো হয়ে আটকে যায়। তাৎক্ষণিক বাড়িতে এসে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলেন আশরাফ। এর পরেও হাতে চুলকানি ও জ্বালাপোড়াসহ ফুলে যেতে থাকে। এ অবস্থায় পরদিন আশরাফ তার স্ত্রীকে নিয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অবস্থা সংকটাপন্ন মনে করে চিকিৎসক আশরাফকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে প্রায় ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অর্থ সংকটে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। গতকাল রাতে অসুস্থ আশরাফ বাড়ি ফিরলে গ্রামবাসীর পরামর্শে কীটনাশকের ডিলার আব্দুল জব্বারের দোকানে আসেন এবং তার অভিযোগ জানান। এ সময় আব্দুল জব্বার আশরাফের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন। কিন্তু আশরাফের পরিবার বিষয়টি না মেনে জব্বারের সঙ্গে বাগবিতান্ডায় জড়িয়ে পড়েন।অভিযোগ পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন।প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে সার-কীটনাশক ডিলার আব্দুল জব্বার পালিয়ে যান। এতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফ আলীকে থানায় গিয়ে নিয়মিত মামলা করার পরামর্শ দেন এবং তৎক্ষণিক ওসিকে মামলা নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়ার নির্দেশ দেন। এদিকে আশরাফ আলী ও তার স্ত্রী থানায় মামলা করার জন্য জব্বার আলীর দোকান থেকে রওনা দিলে পথে কিছু বখাটে যুবক তাদের আটকে রাখে। বখাটেরা মামলা না করতে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়। এতে ভয়ে আশরাফ ও তার স্ত্রী মামলা না করে বাড়ি ফিরে যান। আশরাফ আলীর স্ত্রী জনিফা খাতুন বলেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে কীটনাশকের মেয়াদ শেষ হয়। আমার স্বামী নিরক্ষর বলে সেটা বুঝতে পারেনি। এটা ব্যবহার করে হাতের আঙুল পচে গেছে। ডাক্তার বলেছে আঙুল কেটে ফেলতে হবে। কিন্তু আমার অনুরোধে তিনি আরেকটু সময় চিকিৎসা দিয়ে পড়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান। তিনি আরো বলেন, এসি ল্যান্ডের নির্দেশে মামলা করতে গেলে এলাকার কিছু ছেলে মামলা করতে দেয়নি এবং হুমকিধামকি দিয়েছে। আমরা দরিদ্র মানুষ তাই ভয়ে মামলা করতে যাইনি। সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান বলেন, ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত কীটনাশক ডিলারকে পাওয়া যায়নি। তাই ভুক্তভোগীকে নিয়মিত মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আজ সকালে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কীটনাশক ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা নিতে বলেছিলেন। কিন্তু ভুক্তভোগীরা থানায় আসেনি। এর পরও খোঁজখবর নেওয়া হবে।

সুষ্ঠ,সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সভাপতি পদে আবু হানিফ খান,সাধারণ সম্পাদক পদে ওমর ফারুক খান জুবায়ের এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ফরিদুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ভূঁইয়াগাঁতী ইটভাটা সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৫১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন,প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা ও বেগম নুরুন্নাহার তর্কবাগিশ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল মোত্তালেব শেখ।সভাপতি পদে (চেয়ার) প্রতীকে আবু হানিফ খান ৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।তার প্রতিদ্বন্দ্বী (মোমবাতি) প্রতীকের আইয়ুব আলী মণ্ডল পান ২০ ভোট।সাধারণ সম্পাদক পদে (আনারস) প্রতীকে ওমর ফারুক খান জুবায়ের ২৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (ইট) প্রতীকের রফিকুল ইসলাম পান ২৫ ভোট। মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে এ পদে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে (ফুটবল) প্রতীকে ফরিদুল ইসলাম ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।তার প্রতিদ্বন্দ্বী (চিমনি) প্রতীকের ইমরান হোসেন পান ২৪ ভোট।এ ছাড়া সহ-সভাপতি পদে আব্দুল হালিম খান এবং অর্থ সম্পাদক পদে রবিউল আলম রেজা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনার সচিবের দায়িত্ব পালন করেন আমিনুল বারী তালুকদার।নির্বাচন কমিশনের সদস্য ছিলেন,সাবেক মেয়র মোশাররফ হোসেন আকন্দ।সকালে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আজহাজ্ব আয়নুল হক।এ সময় থানা পুলিশের সদস্য,স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।নবনির্বাচিত কমিটিকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশা ও সংগঠনের অভিনন্দনের পাশাপাশি নির্বাচিতদের সুস্বাস্থ্য কামনাসহ শুভেচ্ছা,ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন "সলঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটি"র সভাপতি,সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনের সকল সাংবাদিকবৃন্দ।

নওগাঁ সদর উপজেলায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে লাইসেন্স ছাড়া সরিষার তেল মোড়কজাত ও বাজারজাত করার দায়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জেলা প্রশাসন, নওগাঁ এবং বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়, বগুড়ার যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর উপজেলার হাপানিয়া এলাকার মক্কা মদিনা ফুড প্রোডাক্টস প্রতিষ্ঠানটিকে বিএসটিআইয়ের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া সরিষার তেল মোড়কজাত ও বাজারজাত করার দায়ে বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেতৃত্ব দেন নওগাঁ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা সুলতানা। আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, বগুড়ার ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো. সাখাওয়াত হোসেন। বিএসটিআই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বার্থে মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট আইন বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভাবের কারণে যেন ঝরে না পড়ে শিক্ষাজীবন, পূরণ হয় স্বপ্ন—এমন প্রত্যাশা নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী তাসলিম আহমেদ শুভ। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতায় প্রায় দুই বছরের স্কুলের বেতন, পরীক্ষার ফি ও নিবন্ধন ফি বকেয়া পড়ে যাওয়ায় তার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছিল অনিশ্চয়তা। শেষ পর্যন্ত তার শিক্ষাজীবন সচল রাখতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এবিজি (আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ) ফাউন্ডেশন। গাজীপুরের পাজুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা শুভর পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস তার বাবার পরিশ্রম। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি স্থানীয় ডেইরি ফার্ম থেকে দুধ কিনে বাজারে বিক্রি করেন। পাশাপাশি অন্যের জমিতে কৃষিকাজ করেও সংসারের খরচ জোগান। সীমিত আয়ে পরিবারের নিত্যপ্রয়োজন মেটানোর পর ছেলের পড়াশোনার ব্যয় বহন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন শুভ। গত চার বছর ধরে বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তির আওতায় প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে পেয়ে আসছেন তিনি। এই অর্থ তার শিক্ষার ব্যয় মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করেছে। তবে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোভাবে সম্পন্ন করতে কোচিংয়ে ভর্তি হওয়ার পর পরিবারের আর্থিক চাপ আরও বেড়ে যায়। শিক্ষাবৃত্তির টাকা দিয়ে কোচিংয়ের মাসিক বেতন পরিশোধ করলেও স্কুলের জমে থাকা বকেয়া, পরীক্ষার ফি ও এসএসসি পরীক্ষার নিবন্ধন ফি দেওয়ার মতো অর্থ পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছিল না। এতে তার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। শুভর এই সংকটের কথা জানতে পেরে তার শিক্ষাজীবন নির্বিঘ্ন রাখতে এগিয়ে আসে এবিজি ফাউন্ডেশন। গত রোববার গাজীপুর মহানগরের চাপুলিয়ায় অবস্থিত মফিজ উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শুভর প্রায় দুই বছরের বকেয়া বেতন, পরীক্ষার ফি, এসএসসি পরীক্ষার নিবন্ধন ফিসহ অন্যান্য বকেয়া পরিশোধের জন্য অনুদান দেওয়া হয়। এ উপলক্ষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমা আক্তার, শিক্ষার্থী তাসলিম আহমেদ শুভ ও তার মা নাছিমা বেগমের হাতে এবিজি ফাউন্ডেশনের অনুদানের চেক তুলে দেন কালের কণ্ঠের স্টাফ ফটোসাংবাদিক লুৎফর রহমান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমা আক্তার বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করছে। এই সহযোগিতার ফলে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবন এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। পাশাপাশি এবিজি ফাউন্ডেশনের এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এদিকে আর্থিক সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শুভর মা নাছিমা বেগম। তিনি এবিজি ফাউন্ডেশন ও বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি ধন্যবাদ জানান। আর্থিক সংকটের কারণে যে শিক্ষাজীবন থমকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, এবিজি ফাউন্ডেশনের সহায়তায় সেই বাধা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছেন শুভ। তার মতো অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ পড়াশোনা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণেও আশার আলো দেখায়।
