বগুড়ার শেরপুরে অটোরিকশাচালক আসাদুল ইসলাম (২৫) হত্যা মামলার রহস্য দ্রুত উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে বিশেষ অর্থ পুরস্কার দিয়েছেন রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মীর আশরাফ আলী।
রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জয়নুল আবেদীনের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর বিকেলে শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর নামাপাড়া এলাকায় করতোয়া নদীর পূর্ব পাড় থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে নিহতের স্ত্রী মিম খাতুন মরদেহটি গাড়ীদহ ইউনিয়নের কাফুরা গ্রামের অটোরিকশাচালক আসাদুল ইসলামের বলে শনাক্ত করেন।
ঘটনাস্থলে হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রত্যক্ষ সূত্র না থাকলেও পুলিশ পরিদর্শক জয়নুল আবেদীনের নেতৃত্বে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও ধারাবাহিক তদন্তের মাধ্যমে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতেও সক্ষম হয় পুলিশ।
ক্লুলেস এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটন এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এ বিশেষ অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন ডিআইজি মীর আশরাফ আলী।