নদীভাঙন- বন্যায় বিপন্ন জীবন, কুড়িগ্রামে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে মানববন্ধন

নর্থ এক্সপ্রেস
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ আগস্ট, ২০২৬ - ১৬:১
• পঠিত: 11 বার

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উত্তরের সীমান্তজেলা কুড়িগ্রামে দিনে দিনে বাড়ছে নদী ভাঙন, বন্যা, খরা সহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি। এসব কারনে বিপন্ন হচ্ছে ১৬ নদনদী বেষ্টিত এ অঞ্চলের জনজীবন। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষি সহ সম্পদের। তাই সাড়ে চারশতাধিক চরের এ জেলার পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নারী-এ্যাসোসিয়েট ফ রিভাইভাল এন্ড ইনিশিয়েটিভ (নারী)-এর উদ্যোগে এবং ক্লাইমেট জাস্টিস রেসিলিয়েন্স ফান্ডের (সিজেআএফ) আর্থিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের কারিগরি সহযোগিতায় কমিউনিটি অ্যাকশন ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এন্ড নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন, নারী-এর নির্বাহী পরিচালক ফরিদা ইয়াসমীন, গ্রীন ভিলেজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ডিস্ট্রিক্ট ক্লাইমেট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক এম রশিদ আলী, প্রকল্প সমন্বয়কারী রবিউল ইসলাম, আফাদের সমন্বয়কারী কার্তিক চন্দ্র বর্মন, পরিবেশকর্মী ও বৃক্ষপ্রেমী আনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম রানা, উলিপুর উপজেলা জলবায়ু পরিষদের সম্পাদক মো. শোয়েব আলী প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কুড়িগ্রামের নদী ভাঙন, বন্যা, খরা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে কম দায়ী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকেই এর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে। তাই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অধিকার নিশ্চিত, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
বক্তারা জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত অভিযোজন সহায়তা, পরিবেশ সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের দাবী জানান।
এ সময় কুড়িগ্রাম সিএসও হাব, চিলমারী, উলিপুর ও কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার উইম্যান ইন ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ওক্যান), ডিস্ট্রিক্ট ক্লাইমেট নেটওয়ার্ক-কুড়িগ্রাম, উলিপুর জলবায়ু পরিষদ, জেন্ডার ইন হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাকশন (জিহা)-কুড়িগ্রাম চ্যাপটারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, নারী সংগঠনটি ২০০৬ সাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিযোজন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জরুরি মানবিক সহায়তা এবং বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে নারীর কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।






