দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া আলতাফ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য পদের নির্বাচন স্থগিত করায় সদস্য পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আবু হেলাল সংবাদ সম্মেলন করেছেন। গত ১৪ অক্টোবর বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তালোড়া আলতাফ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য পদে প্রিসাইডিং অফিসার কর্তৃক নির্বাচনের ঘোষিত তারিখ ছিল গত ১৪ অক্টোবর বুধবার। কিন্তু গত ১৩ অক্টোবর তিনি সহ আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা জানতে পারেন যে অত্র বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মোঃ হাসিনূর হাসান শাহ দিপু আদালতে উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার সাদ্দাম হোসেন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার মন্ডল ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাকির হোসেনকে যথাক্রমে ১,২ ও ৩ নং বিবাদী করে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন। সেই সঙ্গে ২নং বিবাদীকে আদালতে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। বাদী নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আদালতে যে অভিযোগ গুলো উল্লেখ করেছেন তা হলো অত্র বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নির্বাচনের ৯০ দিন পূর্বে ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই। ২নং বিবাদী গত ১৪/০৯/২০২৬ইং তারিখে খসড়া ভোটার তালিকা অনুমোদনের জন্য সভার আহ্ববান করে অলিখিত খাতায় তাঁর স্বাক্ষর নিয়েছেন। খসড়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা এবং নির্বাচনী তফসীল ঘোষণা করার কোন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।

ভোটার তালিকায় গড়মিল রয়েছে। গত ০৬/০৯/২০২৬ইং তারিখে এডহক কমিটির কোন সভা আহ্ববান করা হয় নাই। ২নং বিবাদী ১নং বিবাদীর সঙ্গে যোগসাজস করে তাকে না জানিয়ে এই নির্বাচনের তারিখ এগিয়ে নিয়েছেন। বাদী এডহক কমিটির সভাপতি মোঃ হাসিনূর হাসান শাহ দিপু আদালতে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে যে অভিযোগ করেছেন তা আদৌ সত্য নয়। মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত বিষয় হচ্ছে অত্র বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সভাপতির উপস্থিতিতে ভোটার তালিকা প্রণয়নের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ২ং বিবাদী প্রধান শিক্ষক ১৪/০৯/২০২৬ইং তারিখে ভোটার তালিকা রেজুলেশনের মাধ্যমে পাশ করেন। খসড়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা এবং নির্বাচনে তফসীল প্রিসাইডিং অফিসার কর্তৃক ঘোষণা করা হয়। উক্ত ভোটার তালিকায় কোন গড়মিল নাই। গত ০৬/০৯/২০২৬ইং তারিখে এডহক কমিটির সভাপতির সম্মতিতে সভা আহ্ববান করা হয়েছিল। ১নং বিবাদী অত্র বিদ্যালয়ের নির্বাচনের সকল প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছিলেন। তাই এ সকল বিষয় তদন্ত করে অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য পদের নির্বাচন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পূন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থী জিয়াউর রহমান, আব্দুল লতিফ শেখ, শহিদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রকাশ থাকে যে উক্ত নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে সাত জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।