বগুড়ার দুপচাঁচিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরে আলম ছিদ্দিকী ও সহকারী শিক্ষক শীতল কুমার মহন্তের দ্ব›েদ্বর জেরে বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা শীতল কুমার মহন্তের বদলীর দাবীতে ৩০আগস্ট রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরুখ খানের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ম্যানেজিং কমিটি ও অভিভাবকদের স্বাক্ষরিত অভিযোগে জানা যায়, শীতল কুমার মহন্ত কোচিং ব্যবসার নামে বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের মধ্যে গ্রæপি, লবিং সৃষ্টি করে বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করা, প্রধান শিক্ষককে অগ্রাহ্য এবং তার সাথে কটাক্ষ করে অসৌজন্যমূলক আচরন এবং দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষককে ইঙ্গিত করে নোংরা ভাষায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি করা, শিক্ষার্থীদের প্রহার, অসভ্য ভাষায় গালিগালাজ করা। ম্যানেজিং কমিটির মিটিংয়ে এসব বিষয়ে বার বার সতর্ক করা হলেও শীতল তা কর্ণপাত করেননি। বিদ্যালয়ের সুনাম ধরে রাখতে প্রধান শিক্ষক কোচিংয়ের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের বাদ দিয়ে অন্য শিক্ষকদের দ্বারা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করার দায়িত্ব দেন। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষক ও প্রশ্ন তৈরি কাজে নিয়োজিত একজন শিক্ষককে গালিগালাজ করেন। ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সামনে প্রধান শিক্ষককে অসভ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে অভিযোগে শীতল কুমার মহন্তকে অন্যত্র বদলীর দাবী জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরুখ খান সহকারী শিক্ষক শীতল কুমার মহন্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলা শিক্ষা কমিটিকে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্তের রির্পোট পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।