1. aleyaa31a16@gmail.com : Aleyaa 31 : Aleyaa 31
  2. sajedurrahmanshohan@gmail.com : Sajedur Shohan : Sajedur Shohan
  3. sejanahmed017@gmail.com : Sijan Sarkar : Sijan Sarkar
  4. sohan75632@gmail.com : Sohanur Rahman : Sohanur Rahman
  5. multicare.net@gmail.com : নর্থ এক্সপ্রেস :
সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০২:৪৬ অপরাহ্ন

বগুড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের গৃহ নির্মাণে অনিয়মে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ

শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জুন, ২০২৩
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার শেরপুরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমিহীনদেরমাঝে আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণেআবারো নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। চলতি প্রকল্পেনির্মাণকাজে নি¤œমানের সামগ্রী সরবরাহের মাধ্যমে এসব ঘরনির্মাণ করায় ঝুঁকিপূর্ন ও ব্যবহার অনুপযোগী হতে চলেছে।তবে নির্মাণকৃত ঘরগুলো হস্তাস্তরের আগেই প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছেবর্তমান সরকারের এই মহৎ উদ্যোগ। সিন্ডিকেটের মাধ্যমেনিন্মমানের সামগ্রীর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে শেরপুর উপজেলারমির্জাপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এঘটনার প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগএকই এলাকার তিন এলাকাবাসী।তবে অভিযোগকারীদের বিষয়ে বাস্তবে কোন সত্যতা নেই, ষড়যন্ত্র বলেদাবী করে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানাগেছে, ২০২২-২৩অর্থবছরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প আশ্রয়ণ-২-এরআওতায় ৪র্থ ধাপে উপজেলায় ১৭১টি ক শ্রেণির ভূমিহীনপরিবারকে ঘর দেয়ার কাজ চলছে। এসব উপকারভোগীরা নিজ নামে দুইশতাংশ জমি একটি সেমিপাকা গৃহ নির্মাণ পাবে। প্রতিটিগৃহ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা। সেমোতাবেক প্রকল্পের কাজও শেষের দিকে। অচিরেই বসবাস শুরু করবেএসব ঘরের বরাদ্দপ্রাপ্ত উপকারভোগীরা।তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাগজকলমে ভূমিহীনদের কাছেহস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষ হলেও বাস্তবে ওইসব গৃহ নির্মাণকাজ এখনচলছে। এরইমধ্যে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের আয়রা মৌজায়৩০টি ভূমিহীন পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ কাজ চলাকালীন সময়েঅনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব কাজে নি¤œমানেরসামগ্রী (ইট, বালি, কাঠ) ইত্যাদি সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে।তাছাড়া এসব সামগ্রী সরবরাহ করছে খোদ একই ইউনিয়নেরবর্তমান চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম। অভিযোগকারী মির্জাপুর ইউনিয়নের আয়রা গ্রামের সোলায়মানআলীর ছেলে শাহ আলম জানান, তাদের(আয়রা) গ্রামে ৩০টিভূমিহীনদের জন্য ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে নিম্নমানের ইট
ব্যবহার করা হয়েছে। খোয়ার পরিবর্তে রাবিশ, নিম্নমানের বালু ওকাঠ ব্যবহার করা হয়েছে। একইভাবে অপর দুই অভিযোগকারী মৃত মোবারক খানের স্ত্রী এলেজাখাতুন ও ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের বলরামের ছেলে কৃষ্ট গোপালজানান, ভূমিহীনদের ঘর তৈরীতে যেসব কমদামের সামগ্রী ব্যবহারকরেছে, তাতে করে এসব ঘর বেশিদিন টিকবে না এবং ব্যবহারেরঅযোগ্য হবে। তবে স্থানীয় চেয়ারম্যানের নিজস্ব ভাটার নি¤œমানেরইট ও তার সরবরাহ করা বালি, কাঠও নি¤œমানের।তবে সচেতন মহলের অভিযোগ, উপজেলার ভূমিহীনদের নামে দুইশতাংশ খাসজমি বরাদ্দ থেকে শুরু করে ঘর নির্মাণ কাজের প্রতিটিধাপে অনিয়ম, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় ভেঙ্গে পড়াসহ নানাঅভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। যার ফলে নির্মাণকৃতঘরগুলো হস্তাস্তরের আগেই প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বর্তমান সরকারের এইমহৎ উদ্যোগ।সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বলেন, ভূমিহীনদেরজন্য গৃহ নির্মাণকাজে কোন অনিয়ম করা কোন প্রশ্নই উঠেনা।তাছাড়া প্রকল্প চলাকালীন সময় থেকে নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলাপ্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা তদারকি করে আসছে। ‘অনিয়মহলে আমাকে ছেড়ে দিবে! এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামছুন্নাহার শিউলী বলেন,‘এ বিষয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে পারবো না।’সংশ্লিষ্ট শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদাসুলতানা বলেন, এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক স্যারের কাছ থেকে আমারকাছে কোন নিদের্শনাও আসেনি। তবে আসলে তদন্তপূর্বকপ্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামেরসাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলেও তিনি ফোনরিসিভ করেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© নর্থ এক্সপ্রেস নিউজ কর্তৃক সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট